Showing posts with label রোগ বালাই. Show all posts
Showing posts with label রোগ বালাই. Show all posts

Thursday, January 2, 2014

সরিষা চাষ রোগ ও পোকা মাকড় দমন


প্রত্যেক উদ্ভিদের কোন না কোন অংশ থেকে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তেল আহরণ করা যায়। তবে অর্থনীতিক ও ব্যবহার গত কারনে গুরুত্বের কম বেশি হয়। সরিষা একটি তেল উৎপাদন কারি ফসল। সরিষা একটি রবি ফসল। এটা সাধারণত শীত কালে হয়ে থাকে। সরিষায় ২০-৩০% আমিষ রয়েছে। যা শক্তি, বৃদ্ধি ও ক্ষয় পূরণ রক্ষণাবেক্ষণে সহযোগিতা করে থাকে। তেল বীজের উৎপাদনের দিক থেকে এর অবদান প্রায় ৭০%। খাবার রান্না বান্নায় এটি খুবই জনপ্রিয়। শরীরে ও মাথায় সরিষার তেল ব্যাপক ভাবে ব্যবহার হয়। সরিষার বীজ থেকে তেল করার পর খৈল বের হয় যা উওম গো- খাদ্য। খৈল সারের কাজও করে থাকে। খৈলে ৬.৪% নাইট্রোজেন থাকে।
বৃষ্টির পানি জমে না এমন সকল জমিতে সরিষা করা যায়। এবং জমি সমতল হতে হবে।  
সরিষার বাংলাদেশি জাতের মধ্য ভাল টরী,কল্যাণীয়া,সম্পদ,সোনালী,রাই-৫,দৌলত,বারি সরিষা-৬,৮ সম্বল ইত্যাদি।
সরিষা রবি ফসল হওয়ায় পানি ছেচের প্রয়োজন কম তবে ক্ষেতের অবস্থা বুঝে ছেচ প্রদান করতে হবে।
পোকা ও রোগ দমনঃ
পোকার আক্রমণের মধ্য জাব,প্রজাপতি,বিছা-পোকা ক্ষতি করে। জাব পোকার আক্রমন হয় মারাত্বক। অরোবাংকি নামক সপুস্পক পরজীবীর কারনে গাছের মূলে আক্রমণ হয়।

প্রতিকারের ব্যবস্থাঃ আগাম চাষ করা,ডিটারজেন্ট পাউডার ও নিমের বীজের নির্যাস ভাল করে মিশিয়ে স্প্রে করলে আক্রমণ কমে। এছাড়া আক্রমণ বেশি হলে ইমিডাক্লোরোপ্রিড প্রতি লিতার পানিতে ০.৫ মিলি (টিডো/ইমিটাফ/বিলডর) বা থায়োমেথোক্সাময(একতারা/ম্যাক্সিমা/জুম) প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে স্প্রে করে দিতে হবে।                                                                                                                

Friday, June 7, 2013

পেয়ারায় পোকার আক্রমণ (Fruit Fly Of Guava)

ইদানীং কয়েক বছর ধরে পেয়ারা কিনতে গেলে পেয়ারার মধ্য পোকা বের হচ্ছে। এজন্য চাষি,বিক্রেতা ও ক্রেতা সবাই ক্ষতির শিকার হচ্ছে। অন্যান্য ফলের মত পেয়ারাতেও নানা ধরনের পোকার আক্রমণ হয়। তবে এই মাছি পোকার আক্রমণ সবচেয়ে বিপদজনক। ফল সিদ্রকারী পোকা আক্রমণ করে কাচা ফলে আর মাছি পোকা আক্রমণ করে পাকা ফলে। ফল সিদ্রকারী পোকা আক্রমণ করলে ফলে কোথাও না কোথাও ক্ষত বা সিদ্র থাকে কিন্তু মাছি পোকায় তেমনটি হয় না। আক্রমণে এর ফলের রং,সিদ্র,বিকৃত ও গন্ধ সবই ঠিক থাকে। কিন্তু ফলের ভিতরটা নষ্ট হয়ে যায়। তবে ফলে ভাল ভাবে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন গায়ে তিলের মত ক্ষুদ্র কোন ক্ষত চিহ্ন আছে। সেখানে মাছি ডিম দেয় এর সংখ্যা ১৫০-২০০টি হতে পারে। পেয়ারা ফল যখন পাকতে শুরু করে তখন পাকা ফলের গন্ধে মাছি আকৃষ্ট হয়। বর্ষা কালে এদের আক্রমণ বেশি হয়। আক্রান্ত ফলে পোকা ডিম থেকে বের হয়েই ফলের শাঁস খেতে শুরু করে। খায় আর মল ত্যাগ করে। ফলের মধ্য সুড়ঙ্গের সৃষ্টি হয় শাঁস অধেক বা পুরোটাই নষ্ট হয়।


প্রতিরোধ ও  দমন ব্যবস্থাঃ
১। ফল ব্যাগিং করা একটি কাযকর পদ্ধতি।
২। আক্রান্ত ফল নষ্ট করতে হবে।
৩। বিষ টোপ ব্যবহার করে (১০০ গ্রাম থেঁতলানো কলা+৫ গ্রাম এমআইপিসি/কারবারিল কীটনাশক(ভিতাব্রিল)+১০০ গ্রাম পানি)
৪। বেইট ট্র্যাপ তৈরী করে ফলের শাখার পার্শ্বে স্থাপন করা যায়। ৩-৫ দিন পর পর বদলে দিতে হয়।
৫।ফোরেমন ফাঁদ ব্যবহার করা।
৬। ডাইমেথোয়েট(টাফগর/বিস্টারথোয়েট/ডায়নামিক/ডেল্টাথোয়েট) প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে।

Thursday, May 2, 2013

ধানের পামরী পোকা (Rice Hispa)

                               
বেজ্ঞানিক নামঃ Dicladispa armigera     স্থানীয় নামঃ কাটা গান্ধি,পিসি বর্গঃ কলিওপটেরা

পরিচিতিঃ পামরী পোকা কালচে রং এবং উজ্জল কাটা যুক্ত। জীবন চক্র ২৪-২৮ দিন। বছরে
বার বংশ বিস্তার ক্রতে পারে

আক্রমণ কালঃ আমন মওসুমে আক্রমণ বেশী হয়। আউস বোরো তেও আক্রমণ হয়

লখনঃ . শিরায় লম্বালম্বি দাগ পড়ে
          .পাতা শুকিয়ে যায়
          .বাড়ন্ত জমিতে আক্রমণ বেশি

প্রতিকারঃ পোকার ডিম, ক্রীড়া এবং বড় পোকা ধ্বংস ক্রতে হবে।ফসল সংগ্রহের পর মুড়ি
রাখা যাবে না। আগাছা পরিষ্কার রাখা

রাসায়নিক দমনঃ ম্যালাথিওন .১২ লিটার/হেঃ,৪০০মিলি/আক্র বা২০মিলি প্রতি ১০ লিটার পানিতে সতক জমিতে

রিলেটেড পোস্ট

 

আমার সাথে যোগাযোগ

আমি আরিফুল ইসলাম আরিফ কৃষি ডিপ্লোমা করেছি গাইবান্ধা কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট থেকে। আমি একজন শখের ব্লগার। আমার জন্য দোয়া করবেন এবং আমাকে পরামর্শ দিনআপনারা কেউ যদি লেখা লেখি করতে চান বা ব্লগ তৈরী বিষয়ে সাহায্যের জন্য যোগাযোগ করুন.. মোবাইল-০১৮২৭৬৫২১০৩, ইমেইল- arifagri121@gmail.com